মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২২

অটোমোবাইলে জব পাওয়ার জন্য করনীয় বিষয়


 অটোমোবাইল এ জব করতে ইচ্ছুক 

প্রেশার বা অন্য টেক থেকে অটোমোবাইল এ আসতে চাওয়া আবেদন কারীদের জন্য আমার কিছু কথাঃ

কথা গুলো আমার বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে লিখা কারো ভালো লাগলে গ্রহণ করবেন আর ভালো না লাগলো ইগনোর করুন।  ভূল হলে ধরিয়ে দিবেন। 


যাহোক মূল আলোচনায় আসা যাকঃ-


১। প্রথমে আপনার সিভি কে গুগলের সার্চ করে আপনার নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী আপডেট করুন। যেটা আমরা অনেকে করিনা অন্য একজনের সিভি  নিয়ে নাম এড্রেস পরিবর্তন করি যেটা একদমই ঠিক না। 


২। সিভির সকল শব্দ গুলো একই ফ্রন্ট হওয়া জরুরী। 


৩। সিভি কাউকে সেন্ড করলে পিডিএফ করে পাঠাবেন। 

কখনো ওয়ার্ডে পাঠাবেন না। 


৪। একজন কে পাঠানো সিভি অন্য জন কে ফরোয়ার্ড করবেন না। সিবির ফাইল নেম আপডেট সিভি লিখবেন না।


৫। অটোমোবাইল এর যে বিভাগ গুলো আছে যেমন সেলস, রিকোভারি,সার্ভিস, পার্টস, কাস্টমার কেয়ার সব গুলোর জন্য আলাদা ফরম্যাট এ সিভি তৈরি করুন। 


৬। বিডি জবস এ অটোমোবাইল এর বিভাগ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন একাউন্ট খুলে ওই অনুযায়ী আবেদন করুন।


৭. বিডি জবস এ অন-লাইনে আবেদন করার পর নিছে দেওয়া কোম্পানির মেইল আইডিতে মেইল করুন।  অবশ্যই সাবজেক্ট এ পোস্ট এর নাম, মেইল বডিতে ডিটেইলস লিখে আপনার নাম ও এড্রেস সহ মেইল করুন। 


৮। প্রত্যেকটা অটোমোবাইল কোম্পানির এইচ আর বরাবর আপনার সিভি টি কুরিয়ার করুন।


৯। পরিচিত বড় ভাই, স্যার দের সাথে যোগাযোগ বাড়ান। 

শুরুতে জবের কথা বলবেন না সম্পর্কে গভীর হলে বলবেন ভাইয়া আপনার মেইল আইডি যদি একটু দিতেন আমাকে আমার সিভি টা আপানাকে দিয়ে রাখি যদি কখনো সুযোগ হয় আমার বিষয় টা দেখবেন। কিন্তু  বার বার জবের জন্য ফোন করে তাকে ডিস্টার্ব করবেন না। কেননা যে যত বড় পোস্টে জব করুক না কেন তার ও একজব বস থাকে।  তাছাড়া সবসময় জব দেওয়ার সুযোগ ও থাকে না।


১০। যদি সুযোগ থাকে যেকোন লোকাল ওয়ার্কশপ থেকে কাজের অভিজ্ঞতা নিতে পারেন।  যেটা যারা এখনো স্টুডেন্ট আছেন তাদের জন্য খুবই সুযোগ থাকে। 


১১। লিংক ইনে আইডি খুলুন, যেখানে ইদানীং অনেক জব এর নিয়োগ পোস্ট হয়।


১২। ফেসবুক ভিত্তিক অটোমোবাইল গুলোতে এড থাকুন। আপনি সেখান থেকে অনেক বাস্তব জ্ঞান বা শব্দ  অর্জন করতে পারবেন। সেগুলো আবার গুগুলে বা ইউটিউবে সার্চ করে বিস্তারিত জেনে নিন। বিশেষ করে, Bangladesh Automobile Professionals Association (BAPA), BD Automobile Zone, BASIC Automobile School, ARI Automobile, TWEEN Automobile School এ গ্রুপ গুলোতে এড থাকুন।  অনেক কিছু শিখতে পারবেন। 


১৩। নিজের কমিনিউকেশন স্কীল বৃদ্ধি করুন। 


১৪। আপডেট টেকনোলজী সম্পর্কে জানুন।


১৫। হতাশ হবেন না, আমার এই ছোট্ট কর্ম জীবনে হতাশ হয়েছে এবং আমার ফিরে এসে নিজের আত্মবিশ্বাস নিয়ে ভালো চাকরি করছে এমন অনেক লোকের সাথে আমার পরিচয় রয়েছে। 


১৬। জীবনে সফলতা বলতে কিছু নাই!!  এটা একান্ত আমার নিজের কথা। আপনি যে পোস্ট ফেলে নিজেকে সফল ভাববেন গিয়ে দেখেন যিনি এই পোস্টে আছে উনি এই পোস্ট ছাড়তে পারলে বাঁচে। 


১৭। আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। নিজেকে ছোট ভাববেন না। চাকরি একদিন হইবে আপনার রিজিক যদি থাকে।


BD Automobile Zone এর সাথে থাকুন। আমরা আছি আপনার অপেক্ষায়। 


#bd_automobile_zone 

#jobopportunity 

#jobsearch 

#job

সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১

গাড়িতে সময়মতো ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করার গুরুত্বঃ

আসসালামু আলাইকুম, 

আশা করি এই মহামারীতে সকলে ভালো আছেন। আজকে আমরা আলোচনা করবো ইঞ্জিন অয়েল সময়মতো  পরিবর্তন গুরুত্ব নিয়ে। আমরা ইঞ্জিন অয়েল কে মানুষের শরীরের রক্তের সাথে তুলনা করতে পারি! রক্তে যেমন ইনফেকশন হলে মানুষ অসুস্থ হয়ে যায় ঠিক তেমনি ইঞ্জিন অয়েল নষ্ট হলে আপনার গাড়িটিতে নানা রকম সমস্যা দিবে। আমরা সময়মতো ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করার উপর অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ানের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছি। যাতে আপনারা সহজে বুঝতে পারেন এর গুরুত্ব।  আপনারা একটু মনোযোগ সহকারে পুরো পোস্টি পড়লে আপনি সহজে বুঝতে পারবেন এর গুরুত্ব কতটুকু।  আপনার বুঝার সহজ করার জন্য আমরা নিম্নে পয়েন্ট আকারে বর্ননা করেছি।




১। ইঞ্জিন অয়েল কি? 


ইঞ্জিন অয়েল বলতে বুঝায় এক প্রকার পিচ্ছিল কারক অয়েল, যা ইঞ্জিন চলার সময় ঘুর্নায়মান যন্ত্রাংশের তাপ শোষন ও ক্ষয় রোধ করে ইঞ্জিন কে চলতে সাহায্য করে।


২।ইঞ্জিন অয়েল গ্রেডঃ-

অনেকে সাধারণত  বাজারের যে কোন গ্রেডের অয়েল দ্বারা ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করে থাকে।  যা একদম ঠিক না।  ম্যানুফেকচারিং কোম্পানি যখন গাড়ি উৎপাদন করে তখন তারা রিসার্চ করে কোন গ্রেডের অয়েল সেই গাড়ির জন্য সবচেয়ে বেশি কার্যকর। এছাড়াও আপনি যে মডেলের গাড়ি ক্রয় করে থাকেন তার সাথে ম্যানুয়ালে আপনার ইঞ্জিন অয়েল এর গ্রেড দেওয়া থাকে। তাই সার্ভিস ম্যানুয়ালে দেওয়া গ্রেড অনুযায়ী অয়েল পরিবর্তন করা উচিত। 


বাজারে বিভিন্ন গ্রেডের অয়েল পাওয়া যায় যেমন।

5W30

10W30

15W40

20W50


এ ছাড়া রয়েছে ইঞ্জিন অয়েলের গ্রেড। ‘ডব্লিউ’ চিহ্ন দিয়ে আবহাওয়ার সংকেত বোঝানো হয়। ৫ ডব্লিউ ৩০–এর মানে হলো ৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রার ওপরে এবং ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পর্যন্ত আবহাওয়ার জন্য উপযোগী ইঞ্জিন অয়েল


৩। ইঞ্জিন অয়েল প্রকারভেদঃ-

বাজারের সাধারণত তিন ধরনের ইঞ্জিন অয়েল পাওয়া যায়।

মিনারেল, সেমি-সেন্থিটিক,সেন্থিটিক

#মিনারেলঃ-


 মিনারেল অয়েল হচ্ছে ক্রুড অয়েল কে সামান্য রিফাইন করে বাজারজাত করে। এটি তুলনামূলক কম মাইলেজ চলে।


#সেমি-সেন্থিটিকঃ- 


মিনারেল অয়েল কে আরো কয়েক ধাপ রিফাইন করে এডিটিভ যোগ করে তৈরি করা হয় এটি সাধারণত মিনারেল অয়েল থেকে মাইলেজ বেশী যায়।


#সেন্থেটিক অয়েলঃ 


সেমি সেন্থিটিক কে রিফাইন করে এর পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে তৈরি করা হয়। এটি মাইলেজ সবচেয়ে বেশি।


৪. স্ট্যান্ডার্ড মাইলেজ:

গাড়ি মালিকদের মনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে যে ইঞ্জিন অয়েল সাধারন কত কিলোমিটার পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়? এটি বলে রাখা ভাল যে এক ইঞ্জিন অয়েলে গড়ে ১০০০০ মাইল পর্যন্ত চালাতে পারবেন। তবে ইঞ্জিন অয়েল এর ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানি ও গাড়ি ভেদে বিভিন্ন রকম হয়ে তাকে। যেমন কারে ৩০০০, হেভি কমার্শিয়াল এ ৫০০০,৬০০০,১০০০০ হয়ে থাকে।


৫. ইঞ্জিন অয়েলের রঙ চেক করুন:

ইঞ্জিন অয়েলের রঙ পরীক্ষা করে দেখুন। এটি করার সময় গাড়ী ব্যবহারের নির্দিষ্ট সময়কালের পরে আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী করতে হবে। এটি আপনার কাছে তখন স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা আলাদা দেখাবে। তেলের রঙটি নোংরা চেহারায় পরিবর্তিত হবে যার অর্থ আপনার অবশ্যই ইঞ্জিন তেল পরিবর্তন করা উচিত।


৬. ইঞ্জিনের অস্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ:

আপনার গাড়ির ইঞ্জিনটি স্বাভাবিকের মতো কাজ করবে না এটি আরও শব্দ করবে যা ইঙ্গিত করে যে এর কিছু দরকার বা এর ভিতরে কিছু সমস্যা আছে। আপনার ইঞ্জিনের তেল পরিবর্তন করার ব্যাপারে চিন্তা করতে হবে, এটি প্রথমে চেক করে দেখতে হবে যে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করতে হবে কি না, তারপরেও যদি সমস্যাটি থেকে যায় তবে আপনাকে যান্ত্রিকের দোকানে যেতে হবে। এমন অবস্থায়, আপনি আপনার গাড়ির প্রতি আরও আন্তরিক হউন, অন্যথায় আপনার গাড়িটি আপনার কল্পনাশক্তির বাইরেও ক্ষতি হতে পারে।


৭. তেলের লেভেলটা যাচাই করুন:

আপনি এি ব্যাপারটি ইতিমধ্যে জেনে ফেলেছেন। প্রকৃতপক্ষে, আপনি যখনই মনে করছেন ইঞ্জিন অয়েলে সমস্যা আছে তখন আপনার এটা করা উচিত। ইঞ্জিন অবস্থা অবস্থা জানার এটি অন্যতম সহজ উপায়। এটি করতে ইঞ্জিন অয়েল লেভেল পরীক্ষক ব্যবহার করুন।


৮. ইঞ্জিন অয়েলের মিটারে আপনার নজর রাখুন:

এই পয়েন্টটি জানা সবচেয়ে সহজ উপায়। গাড়ির মালিক / ড্রাইভার বেশিরভাগই জানেন এটি একটি সূচক যা ইঞ্জিন অয়েলের লেভেল নির্দেশ করে। আপনি এটি থেকে সহায়তা নিতে পারেন।


সুস্থ থাকুন,

স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলুন 

বিডি অটোমোবাইল জোন এর সাথে থাকুন।

#Author  Md Mohiuddin 

#bd_automobile_zone

#engineoilchange

#গাড়িতে_সময়মতো_ইঞ্জিন_অয়েল_পরিবর্তন_করার_গুরুত্ব

শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১

গাড়ির বিভিন্ন সেন্সর পরিচিত

প্রথমে আমাদের এটা জানতে হবে সেন্সর আসলে কি?




সেন্সর- সেন্সর হচ্ছে একধরণের ইন্দ্রিয় বিশেষ যা ইঞ্জিনের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ধরণের ডাটা সংগ্রহ করে ইলেকট্রনিক পালসরূপে ECU কে প্রেরণ করে  আর ECU সেটাকে এনালাইসিস করে ইঞ্জিন কে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে।

এবার বিভিন্ন ধরণের সেন্সরের কাজ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ভাবে জেনে নেওয়া যাক-

Crankshafts Position sensor - এটি ইঞ্জিন ক্র‍্যাংকশ্যাফটের পজিশন সেন্স করে এবং ইঞ্জিনের ক্র‍্যাংকশ্যাফটের ঘূর্ণন নির্ণয় করে ECU কে তথ্য প্রদান করে।

Camshaft Position Sensor - এটি ইঞ্জিনের ক্যামশ্যাফটের পজিশন সেন্স করে এবং কোণ নির্ণয় করে সেই সিগনাল ECU কে প্রেরণ করে।

আর সে অনুসারে ECU বিভিন্ন সিলিন্ডারে ফায়ারিং করে থাকে।

coolant temperature sensor- এটি ইঞ্জিনের ওয়াটার জ্যাকেটের টেম্পারেচার সেন্স করে ECU কে সিগনাল প্রেরণ করে, আর সেই অনুযায়ী ECU তার কার্য সম্পাদন করে।

WIF - এই সেন্সর ফুয়েল ফিল্টারের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় থাকে, যা ফুয়েলে পানির উপস্থিতি কতোটা সেটা সেন্স করে।

যদি ওয়াটার সেপারেটরে পানির পরিমাণ বেড়ে যায় তাহলে এটি ডেসবোর্ডের সিগনাল দেয়।

Vehicle Speed Sensor - এটি গাড়ির গতি পরিমাপ করে, যা ট্রান্সমিশন গিয়ার বক্সের সাথে সংযুক্ত থাকে। অনেকে এটাকে আবার মাইল মিটার সেন্সর বা কিলোমিটার সেন্সরও বলে।

Air Pressure Sensor - এটি ইঞ্জিনের ইনটেক মেনিফোল্ডে কতো প্রেসারে বাতাস প্রেবেশ করছে সেটার তথ্য ECU কে প্রদান করে।

Oil Pressure Sensor- এটি ইঞ্জিন গ্যালারি তে ওয়েল প্রেসার কতো আছে বা কমে গেলে তার সিগনাল ডেসবোর্ডে বা ECU কে প্রদান করে। 

সিট বেল্ট এর প্রয়োজনীয়তা ( The Necessity Of Seat Belt )

 সিট বেল্ট এর প্রয়োজনীয়তা ( The Necessity Of Seat Belt ) :



সিটবেল্ট ড্রাইভার বা যাত্রী সাধারণের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

গাড়ি দুর্ঘটনা কবলিত হলে সিট বেল্ট ড্রাইভার ও যাত্রী সাধারণকে ধরে রাখে বা নিয়ন্ত্রণ রাখে। গাড়ী দুর্ঘটনার সময় গাড়ির যাত্রী ও চালক ব্যথা পান গাড়ির স্টিয়ারিং হুইল, ড্যাশ বোর্ড বা সামনের উইন্ডস্ক্রিনে ধাক্কা খেয়ে। আবার রোল ওভার বা উল্টিয়ে গেলে এক জন যাত্রী আরেক জনের উপর গিয়ে পড়েন অথবা গাড়ীর ফ্লোরেই বেখাপ্পা ভাবে পড়ে হাত পা ভাঙ্গেন।


১। গাড়ী চালাবার সময় মোড় ঘুরাতে কিংবা ওভারটেকের সময় গাড়ির গতি বেশি হলে যাত্রী এবং চালক উভয়ের ভারসাম্য রক্ষার জন্য সিটবেল্ট বাধাটা জরুরী।


২। গাড়ী দ্রুত গতিতে চালাবার সময় হার্ড ব্রেক করলে সিটবেল্ট স্বয়ংক্রিয় ভাবে আটকে গিয়ে যাত্রী ও চালকে সামনে গিয়ে ধাক্কা খাওয়া থেকে রক্ষা করে।


৩। গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়ে রোলওভারের সময় যাত্রী ও চালকে সিট এর সাথে বেধে রাখে সিটবেল্ট।এতে করে গাড়ী যে কয় বার রাউন্ড ঘুরবে         যাত্রী ও চালক সেই কয় পাক ঘুরবে।তারপরে উল্টে থাকলেও। যাত্রী ও চালক গাড়ি থেকে বের হয়ে আসতে পারবে। আর বেল্ট বাধা না থাকলে পাশের যাত্রীর পা হয়ত অন্য যাত্রীর হাত এর উপর এসে বসে থাকবে অথবা যাত্রী নিজে হয়ত সহযাত্রীর নিচে পড়ে যেতে পারে।


৪। গাড়ির চালককে অনেক সময় গাড়ি চালনা মনযোগী করে রাখতে সহায়তা করে থাকে সিট বেল্ট।


সুতরাং,গাড়ীতে চড়ার সময় যাত্রী বা চালক যেই হোন না কেনো গাড়ির সিট বেল্ট বাধা থাকলে এই ধরনের ইনজুরি খুব সহজেই কমিয়ে আনা যায় 

বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১

ক্লাচ করলে ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার কারন ও সমাধান।

Ashok Leyland Dost

 আজকে আমি আপনাদের সাথে  আলোচনা করবো খুবই জটিল একটা সমস্যা নিয়ে। আমরা সাধারণত ক্লাচ ছেড়ে দিলে ইঞ্জিন স্টার্ট বন্ধ হওয়ার সমস্যা পাই। কিন্তু এর ঠিক উল্টো ক্লাচ করলে ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার সমস্যা আমি পেয়েছি। এটা খুবই রেয়ার কেস। যা হোক এর সম্ভাব্য কারণ গুলো আমি তুলে ধরেছি। যদি আপনারা কখনো এই রকম সমস্যা পান তাহলে কাজে লাগবে।

১। ক্লাচ সুইচ, সেন্সর চেক করে নিবেন। 

২। ফুয়েল লাইন ভালো চেক করে নিবেন।

৩।  সব গুলো ফুয়েল পাম্প যেমন ফিড পাম্প, আই এম ভি ফিড পাম্প ইত্যাদি। 

৪। ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স চেক করবেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

৫।ইনজেক্টর চেক কর নিবেন।

৬। রিলেজ বিয়ারিং, পাইলট বিয়ারিং চেক করে নিবেন।

৭।কোন ইলেকট্রিক লাইন শর্ট আছে কিনা চেক করবেন। 

আশা রাখি সমস্যার সমাধান হবে। ধন্যবাদ সকলকে।

#bd_automobile_zone

#automobile

গাড়ির প্রকারভেদে গিয়ার অয়েল এর ব্যবহার বিধি।

আসসালামু আলাইকুম 

আজকে আমরা জানবো কোন গাড়িতে কোন গ্রেডের গিয়ার অয়েল ব্যবহার করা উচিত ,  গাড়ি ভেদে ভিন্ন ভিন্ন গ্রেডের গিয়ার   অয়েল ব্যবহার করা উচিত? 

তো চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

সাধারণত আমাদের গাড়ি গুলোতে যেসব গ্রেডের ওয়েল ব্যবহার করি সেগুলো হল-

Engine oil Grade - 

light-, 5w30, 20w50, 0w50

Heavy Vehicle-15w40

Clutch Oil Grade- 

Light-DOT-3

Heavy- DOT-4

Brake Oil Grade- 

Light-DOT-3

Heavy- DOT-4

Gear Oil Grade-

Light- ATF-(3309,DX-3,134-FE, D3-SP), CVT-(TC, FE)

Heavy- 80w90, GL-4, MT-90, EP-90 GL4

Differential Oil Grade-

Light-85w90, GL-5

Heavy- 85W140


আশাকরি সকলে বুঝতে পেরেছেন, ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

সোমবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২১

Ashok Leyland bada dost /Phoenix

 বাংলাদেশে অশোক লেল্যান্ড এর আপডেট মডেল অশোক লেল্যান্ড ফিনিক্স বাদা দোস্ত লন্স করেছে।  খুবই চমৎকার একটি পিকাপ। এই পিকাপ টিতে ব্যবহ্ত হয়েছে ব...