শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১

সিট বেল্ট এর প্রয়োজনীয়তা ( The Necessity Of Seat Belt )

 সিট বেল্ট এর প্রয়োজনীয়তা ( The Necessity Of Seat Belt ) :



সিটবেল্ট ড্রাইভার বা যাত্রী সাধারণের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

গাড়ি দুর্ঘটনা কবলিত হলে সিট বেল্ট ড্রাইভার ও যাত্রী সাধারণকে ধরে রাখে বা নিয়ন্ত্রণ রাখে। গাড়ী দুর্ঘটনার সময় গাড়ির যাত্রী ও চালক ব্যথা পান গাড়ির স্টিয়ারিং হুইল, ড্যাশ বোর্ড বা সামনের উইন্ডস্ক্রিনে ধাক্কা খেয়ে। আবার রোল ওভার বা উল্টিয়ে গেলে এক জন যাত্রী আরেক জনের উপর গিয়ে পড়েন অথবা গাড়ীর ফ্লোরেই বেখাপ্পা ভাবে পড়ে হাত পা ভাঙ্গেন।


১। গাড়ী চালাবার সময় মোড় ঘুরাতে কিংবা ওভারটেকের সময় গাড়ির গতি বেশি হলে যাত্রী এবং চালক উভয়ের ভারসাম্য রক্ষার জন্য সিটবেল্ট বাধাটা জরুরী।


২। গাড়ী দ্রুত গতিতে চালাবার সময় হার্ড ব্রেক করলে সিটবেল্ট স্বয়ংক্রিয় ভাবে আটকে গিয়ে যাত্রী ও চালকে সামনে গিয়ে ধাক্কা খাওয়া থেকে রক্ষা করে।


৩। গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়ে রোলওভারের সময় যাত্রী ও চালকে সিট এর সাথে বেধে রাখে সিটবেল্ট।এতে করে গাড়ী যে কয় বার রাউন্ড ঘুরবে         যাত্রী ও চালক সেই কয় পাক ঘুরবে।তারপরে উল্টে থাকলেও। যাত্রী ও চালক গাড়ি থেকে বের হয়ে আসতে পারবে। আর বেল্ট বাধা না থাকলে পাশের যাত্রীর পা হয়ত অন্য যাত্রীর হাত এর উপর এসে বসে থাকবে অথবা যাত্রী নিজে হয়ত সহযাত্রীর নিচে পড়ে যেতে পারে।


৪। গাড়ির চালককে অনেক সময় গাড়ি চালনা মনযোগী করে রাখতে সহায়তা করে থাকে সিট বেল্ট।


সুতরাং,গাড়ীতে চড়ার সময় যাত্রী বা চালক যেই হোন না কেনো গাড়ির সিট বেল্ট বাধা থাকলে এই ধরনের ইনজুরি খুব সহজেই কমিয়ে আনা যায় 

বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১

ক্লাচ করলে ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার কারন ও সমাধান।

Ashok Leyland Dost

 আজকে আমি আপনাদের সাথে  আলোচনা করবো খুবই জটিল একটা সমস্যা নিয়ে। আমরা সাধারণত ক্লাচ ছেড়ে দিলে ইঞ্জিন স্টার্ট বন্ধ হওয়ার সমস্যা পাই। কিন্তু এর ঠিক উল্টো ক্লাচ করলে ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার সমস্যা আমি পেয়েছি। এটা খুবই রেয়ার কেস। যা হোক এর সম্ভাব্য কারণ গুলো আমি তুলে ধরেছি। যদি আপনারা কখনো এই রকম সমস্যা পান তাহলে কাজে লাগবে।

১। ক্লাচ সুইচ, সেন্সর চেক করে নিবেন। 

২। ফুয়েল লাইন ভালো চেক করে নিবেন।

৩।  সব গুলো ফুয়েল পাম্প যেমন ফিড পাম্প, আই এম ভি ফিড পাম্প ইত্যাদি। 

৪। ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স চেক করবেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

৫।ইনজেক্টর চেক কর নিবেন।

৬। রিলেজ বিয়ারিং, পাইলট বিয়ারিং চেক করে নিবেন।

৭।কোন ইলেকট্রিক লাইন শর্ট আছে কিনা চেক করবেন। 

আশা রাখি সমস্যার সমাধান হবে। ধন্যবাদ সকলকে।

#bd_automobile_zone

#automobile

গাড়ির প্রকারভেদে গিয়ার অয়েল এর ব্যবহার বিধি।

আসসালামু আলাইকুম 

আজকে আমরা জানবো কোন গাড়িতে কোন গ্রেডের গিয়ার অয়েল ব্যবহার করা উচিত ,  গাড়ি ভেদে ভিন্ন ভিন্ন গ্রেডের গিয়ার   অয়েল ব্যবহার করা উচিত? 

তো চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

সাধারণত আমাদের গাড়ি গুলোতে যেসব গ্রেডের ওয়েল ব্যবহার করি সেগুলো হল-

Engine oil Grade - 

light-, 5w30, 20w50, 0w50

Heavy Vehicle-15w40

Clutch Oil Grade- 

Light-DOT-3

Heavy- DOT-4

Brake Oil Grade- 

Light-DOT-3

Heavy- DOT-4

Gear Oil Grade-

Light- ATF-(3309,DX-3,134-FE, D3-SP), CVT-(TC, FE)

Heavy- 80w90, GL-4, MT-90, EP-90 GL4

Differential Oil Grade-

Light-85w90, GL-5

Heavy- 85W140


আশাকরি সকলে বুঝতে পেরেছেন, ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

সোমবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২১

রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০

ডিফারেন্সিয়াল মূলত কি?

  ডিফারেন্সিয়াল মূলত কি?

যে ডিভাইস বা যন্ত্র ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতিকে গিয়ার বক্সের প্রোপেলার শ্যাফট্ এর সাহায্যে পিছনের চাকা দ্বয়ের মাঝে প্রেরণ করে তাকে ডিফারেন্সিয়াল বলা হয়।


ডিফারেন্সিয়ালের কাজ কী?
ডিফারেন্সিয়ালের কাজ বা উদ্দেশ্য গুলো কি কি?
১. প্রোপেলার শ্যাফটের ঘূর্ণন গতি গ্রহণ করে পিছনের চাকাতে প্রেরণ করা।
২. মোটরযানকে সহজভাবে চাকার কৌণিক দূরত্ব বজায় রেখে মোড় ঘুরতে সাহায্য করা। মোটরযান মোড় নেওয়ার সময় বাইরের চাকা ভিতরের চাকা থেকে দ্রুততর ও অধিক ব্যাসার্ধ নিয়ে ঘুড়ে মোটরযানকে মোড় নেওয়াতে সাহায্য করে।
৩. যান সোজা বাঁকা রাস্তায় চলার সময় উভয় চাকাকে ডিফারেন্সিয়াল প্রয়োজন মত ঘূর্ণন দিয়ে থাকে। যার ফলে যান সাবলীলভাবে রাস্তায় চলতে পারে।
৪. ডিফারেন্সিয়াল ড্রাইভ গিয়ার, রিং গিয়ার, সান গিয়ার,এক্সেল এর সাহায্যে কার্য সম্পাদন করে।
ডিফারেন্সিয়াল কত প্রকার?
ডিফারেন্সিয়াল মূলত ৩ প্রকারের হয়ে থাকে-
১. প্রচলিত ডিফারেন্সিয়াল
২. পাওয়ার লক বা নন-স্লিপ ডিফারেন্সিয়াল
৩. দ্বিগুণ হ্রাসকরণ প্রকৃতির ডিফারেন্সিয়াল
ডিফারেন্সিয়ালে কি কি যন্ত্রাংশ গুলো রিয়েছে দেখে নেই-
১. ড্রাইভ পিনিয়ন
২. রিং গিয়ার
৩. স্টার পিনিয়ন
৪. বেভেল গিয়ার
৫. ডিফারেন্সিয়াল কেস
৬. বিয়ারিং
৭. সান গিয়ার
৮. এক্সেল শ্যাফট্
৯. পিন
১০. স্পাইডার গিয়ার
১১. থ্রাস্ট ওয়াসার
১২. ডিফারেন্সিয়াল হাউজিং
এবার আশা যাক ডিফারেন্সিয়াল ব্যবহারে আমরা কি ধরণের সুবিধা পেয়ে থাকি সেই আলোচনায়-
১. ডিফারেন্সিয়াল থাকার ফলে মোটরযানের মোড় নেওয়া সহজতর হয়েছে। ডিফারেন্সিয়াল বিহীন হলে মোড় নেওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণে কাঠিন্য ভাব দেখা দিবে।
২. ডিফারেন্সিয়াল ব্যবহারের ফলে টায়ারের ক্ষয় কমে যায় এবং সুষমভাবে ক্ষয় হয়। আবার ডিফারেন্সিয়াল বিহীন গাড়িতে দেখা যায় টায়ার গুলো ট্যাপার ভাবে ক্ষয় হয়।
৩. পিচ্ছিল, কাদাযুক্ত ও বরফাবৃত রাস্তায় দূর্ঘটনা ছাড়া যান সহজভাবে চলা বা মোড় নেওয়া যায়।
৪. আকাবাঁকা রাস্তায় চলা বা মোড় নেওয়ার সময় ডিফারেন্সিয়াল কৌণিক দূরত্ব বজায় রেখে চলে যা অনাকাঙ্ক্ষিত দূর্ঘটনার হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে।
৫. ডিফারেন্সিয়াল ব্যবহারের ফলে গাড়ির চাকা কোথাও একটি ফেসে গেলে বা গর্তে আটকে গেলে অপর চাকার সাহায্যে সেখান থেকে উঠে আসা সম্ভব হয়। যা ডিফারেন্সিয়াল ছাড়া গাড়িতে সম্ভব না।
ভুল হলে ক্ষমা করবেন এবং মন্তব্য থাকলে সেটি কমেন্ট বক্সে লিখুন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
আজকের মতো এই পর্যন্তই, আগামী পর্বে আবার কথা হবে ইনশাআল্লাহ, সেই পর্যন্ত সকলেই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

ইঞ্জিন ওভারহিটেড হওয়ার কারনঃ-

 ইঞ্জিন ওভারহিটেড হওয়ার কারনঃ-



১। কুল্যান্ট ওয়াটার কম থাকা।
২।ওয়াটার পাম্প ঠিক মত কাজ না করা।
৩।থার্মোস্ট্যাট ভালভ কাজ না করা।
৪।ফ্যান না ঘুরা।
৫।ফ্যান বেল্ট লুছ থাকলে।
৬।রেডিয়েটার জ্যাম থাকলে।
৭।ওয়াটার জ্যাকেট জ্যাম হলে।
৮।টেম্পারেচার সেন্সর কাজ না করলে।
৯।কম্প্রেশন লিক করলে।
১০।কুল্যান্ট পানি বাদে সাধারন পানি ব্যবহার করলে।
১১. লুব ওয়েলের ভিসকোসিটি কমে গেলে।
১২. লুব ওয়েলেে সার্কুলেশন সঠিকভাবে না হলে।


0
People Reached
0
Engagements
Like
Comment
Share

Ashok Leyland bada dost /Phoenix

 বাংলাদেশে অশোক লেল্যান্ড এর আপডেট মডেল অশোক লেল্যান্ড ফিনিক্স বাদা দোস্ত লন্স করেছে।  খুবই চমৎকার একটি পিকাপ। এই পিকাপ টিতে ব্যবহ্ত হয়েছে ব...